Friday, March 18, 2011

KissingGourami: মনিটর ব্যবহার করুন এক্যুরিয়াম হিসেবে

KissingGourami: মনিটর ব্যবহার করুন এক্যুরিয়াম হিসেবে

আপনার মনিটরটি এক্যুরিয়াম হিসেবে ব্যবহার করতে চান? আমার দেয়া এই ইউটিলিটি দিয়ে পারবেন খুব সহজে। হয়তো ভাবছেন এটা কোন প্রকার স্ক্রীন সেভার, না এটা স্ক্রীন সেভার না যার কারণে এটি চালু থাকলে আপনার কাজের বেঘাত ঘটবে না শুধু স্ক্রীণে কতগুলো মাছ ঘুরতে থাকবে যা খুবই দৃষ্টিনন্দন এবং আপনার ভাল লাগবে। আপনি চাইলে মাছগুলোকে ইচ্ছেমতো কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন। KissingGourami দিয়ে সাজান আপনার ডেস্কটপ। ডাউনলোড

Wednesday, January 26, 2011

Driver নিয়ে ভাবনা ,আর না আর না ।$৩৯.৯৫ ডলার মূল্য হলেও আপনাদে জন্য এক্কেবারে ফ্রি।

আজ Driverনিয়ে লিখতে বসলাম।কম্পিউটার সমন্ধে আমরা যারা জানি Driverএ সম্পর্কে নতুন কিছু বলার প্রয়োজন নেই।আমরা যারা নতুন কম্পিউটার বিষেশ করে লেপটপ ক্রয় করি অনেক সময় Driverসাথে দেওয়া থাকে না।আর দেওয়া থাকলে ও যদি কোন কারণে Driverহারিয়ে যায় বা মুছে যায় তাহলে আমারা মহা ঝামেলা পরে যাব।এই ঝামেলা থেকে রেহাই দিতে আমার আজকের এই লেখাটি।এর জন্য একটি সফট লাগবে এটি হচ্ছে driverchecker ।এর মাধ্যমে আপনি আপনার যে কোন মডেল এর Laptop এবং Desktop এর জন্য সকল Driver খোজে নিতে পারেন।দেখুন কোন কোন Driver পাবেন......

অবশ্যই নেট কানেক্শন থাকতে হবে । এটি মূল্য $৩৯.৯৫ ডলার ।নিচে রেড বৃত্তে দেখুন.......

এছাড়া

  • www.driverchecker.com


  • এ গিয়ে এটির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন।এবং ডাউনলোড এর জন্য

  • www.driverchecker.com


  • একই ঠিকানায় সাইজ মাএ ৮.০২ mb ।ডাউনলোড শেষে সেটাপ দিয়ে নিন।নিচের মত হবে ,এপর Register এ ক্লিক করতে হবে ............

    Register এ ক্লিক করার পর প্রয়োজনীয় সিরিয়াল কি দিতে হবে ।

    সিরিয়াল কি দিয়ে Submit বাটনে ক্লিক করতে হবে ।তারপর.......

    তারপর Start Scan এ ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন আপনার কাংক্ষিত Driver এবং ডাউনলোড করে নিন ।

    এর আগে এটি নিয়ে কেউ লিখে থাকলে অবশ্যই জানাবেন ।আমি আমারটি সরিয়ে ফেলব ।তবে অবশ্যই Driver Checker v2.7.4 ভার্সনটি হতে হবে , অন্যতাই নয় ।
    ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।
    (বিঃদ্রঃ-সরাসরি সিরিয়াল কি তা দিতে পারলাম না ।তাই যাদের দরকার হয় কমেন্ট এর মাধ্যমে ইমেল নাম্বারটা দিয়ে দিবেন।পাঠিয়ে দিব।আর যারা তাও পারবেন না ,আমাকে ইমেল করতে পারেন mshahabul@yahoo.com এই নম্বরে ।)

    Monday, January 24, 2011

    উইন্ডোজ সেভেনের কিছু গোপনীয় টিপস জেনে রাখুন : অবশ্যই কাজে লাগবে

     রিলিজ (Retail availability) হওয়া উইন্ডোজ সেভেনের ব্যবহার বাংলাদেশে যদিও অতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি তথাপি উইন্ডোজ সেভেন নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। অফিসিয়ালী উইন্ডোজ সেভেনের ব্যবহারও খুব কম। তবে ধীরে ধীরে উইন্ডোজের এই ভার্সণটি জায়গা করে নিবে সমগ্র মানুষের প্রিয় অপারেটিং সিষ্টেম হিসেবে। আমাদের দেশে এর ব্যবহার কমের মূল যে কারণ- এখনো আমরা পেন্টিয়াম-৩ / ৪ অহরহ ব্যবহার করছি যা উইন্ডোজ সেভেনের জন্য যথোপযুক্ত নয়। যাই হোক, চলুন জেনে নিই গোপনীয় কিছু টিপস-
    Problem Steps Recorder (PSR):
    ধরুণ, আপনার ছোট ভাই আপনার পিসিতে বসার জন্য পাগল হয়ে গেল। কিন্তু আপনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস আছে যা ডিলিট হয়ে গেলে কিংবা কোন সমস্যা হলে আপনি নিজেই সমস্যায় পড়বেন। তাই পিসিটা ছোট ভাইয়ের হাতে হ্যান্ডেল করার আগে এই নিম্নের পদ্ধতিটি অবলম্বন করুন-
    Click on Start —> Run —> এরপর টাইপ  PSR   এবং এন্টার বাটনে ক্লিক ।
    আপনার ছোট ভাই যতটা ক্লিক করবে এই ষ্টেপস রেকর্ডার সব গুলার প্রিন্ট নিতে থাকবে। তারপর ছোটভাই উঠে গেলে রেকর্ডিং স্টপ করে সেইভ করে রাখুন। কোন সমস্যা দেখলে সেভ করা রেকর্ডিংয়ে একবার চোখ বুলালেই হবে। বুঝে যাবেন ও কি করে সমস্যাটা তৈরী করেছে। অথবা বন্ধুরা কোন সমস্যায় পড়লে তাদেরকে সাহায্য করার জন্যও এই টিপসটি অনুসরণ করতে পারেন। বলবেন- এই প্রোগ্রামটি চালু করে সেই সেই স্থানে ক্লিক করতে যেভাবে আপনার বন্ধু সমস্যায় পড়েছে।
    Snipping Tool:
    স্ক্রিনশট নেয়ার জন্য কি ব্যবহার করেন? ফায়ারশট নাকি অন্য কোন থার্ড পার্টি সফটওয়্যার? এত ঝামেলা করার দরকার কি যখন আপনার প্রিয় অপারেটিং সিষ্টেমটিই একটি অসাধারণ টুলস দিচ্ছে স্ক্রিণশট নেয়ার জন্য।  ব্যবহার করেই দেখুন না।
    খুঁজে পাচ্ছেন না সফটওয়্যারটি কোথায়? ঠিক আছে, Start —> সার্চ প্রোগ্রাম এবং ফাইল বক্সে টাইপ করুন Snipping Tool । তাহলেই পেয়ে যাবেন অসাধারণ আরেকটি জিনিস।
    Calibrate your screen:
    এই টুল টি বিশেষ করে ল্যাপটর, নেটবুক ব্যবহারকারীদের জন্য বেশী গুরুত্বপূর্ণ। যারা ল্যাপটপ কিংবা নেটবুক ব্যবহার করেন অনেক সময় দেখা যায় কালার রেজ্যুলেশন ঠিক ভাবে সেট করতে পারেন না। বাটন টিপে কালার ঠিক করাটাও যেমন ঝামেলা আবার কালার ঠিক হলো কিনা তাও বুঝাটা ঝামেলা। তাই এই টুলটি ব্যবহার করুন, নিশ্চিন্তে কালার সেট করে নিন-
    তেমন কিছু না- শুধু ষ্টার্ট এ গিয়ে টাইপ করুন – DCCW এরপর এন্টার বাটনে চাপুন। ব্যাস, বাকী কাজ কি করতে হবে আপনার বুঝতে সমস্যা হবার কথা নয়।
    Extend your battery life:
    ল্যাপটপ, নেটবুক ব্যবহারকারীদের জন্য এই টুলটি। ষ্টার্ট এ গিয়ে টাইপ করুন Power Options । Power Options এ গিয়ে ক্লিক করুন- Change Plan Settings তারপর ক্লিক করুন Change Advanced Settings এরপর যে উইন্ডোটি ওপেন হবে সেখান থেকে নিজের মত করে সেট করে নিন। খুব সহজ। গেলেই বুঝবেন। আর সমস্যা হলে আমাকে মন্তব্যে জানাবেন।
    আরো ছোট্ট দুইটা টিপস দেই:-
    টিপস -০১: কোন ড্রাইভার যদি সরাসরি ক্লিকে ওপেন হতে সমস্যা হয় তাহলে আপনার কি-বোর্ড এর সিফট বাটন চেপে রেখে ড্রাইভারের উপর রাইট বাটন ক্লিক করুন। এরপর “Open in New Process” এ ক্লিক করুন। খুব সুন্দর ভাবে ওপেন হয়ে যাবে।
    টিপস- ০২: আপনি যদি গেষ্ট একাউন্টে কম্পিউটারে লগইন করা থাকেন এবং কোন প্রোগ্রাম ওপেন করতে গিয়ে দেখলেন যে এটি গেষ্ট একাউন্টের জন্য অনুমোদিত নয় তাহলে লগ-অফ এর প্রয়োজন নেই। যেই প্রোগ্রামটি ওপেন করতে চান সিফট বাটন চেপে রেখে সেই প্রোগ্রামের শর্টকার্ট আইকনে Right click করুন। তারপর – Run as different user  এ ক্লিক করুন।

    Sunday, January 23, 2011

    একসাথে একাধিক ম্যাসেঞ্জার খোলা

    সাধারণত একটি কম্পিউটার একসাথে একই ম্যাসেঞ্জার একাধিক খোলা যায় না। যেমন আপনি যদি ইয়াহু! ম্যাসেঞ্জারে লগইন করেন তাহলে আরেকটি আইডি ব্যবহার করতে নতুন আরেকটি ম্যাসেঞ্জার খুলতে পারবেন না। এমনই ভাবে গুগলেও একই সাথে একাধিক আইডি ব্যবহার করতে একাধিক ম্যাসেঞ্জার খোলা যায় না। আপনি যদি নতুন করে ম্যাসেঞ্জার খুলতে চান তাহলে পূর্বের খোলা ম্যাসেঞ্জারই চলে আসবে নতুন করে লগইন করার সুযোগ দেবে না। কিন্তু একটু ভিন্ন পন্থায় আপনি একাধিক আইডি ব্যবহার করতে একই সাথে একই কম্পিউটার ম্যাসেঞ্জার খুলতে এবং লগইন করে চ্যাটিং করতে পারবেন।
    এজন্য ডেক্সটপে (বা অন্য কোথাও) আপনার ম্যাসেঞ্জারের আরেকটি শর্টাকাট কপি তৈরী করুন এবং মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এবার Target এর টেক্সট বক্সের শেষে /nomutex লিখুন। এরপরে নোটপ্যাড খুলুন এবং নিচের সংকেত লিখে YahooPlural.reg নামে নেভ করুন।
    Windows Registry Editor Version 5.00 [HKEY_CURRENT_USER\Software\yahoo\pager\Test] “Plural”=dword:00000001.
    এবার
    YahooPlural.reg চালু করে নতুন তৈরী করা ইয়াহু! ম্যাসেঞ্জারের শর্টকাট চালু করুন এবং অন্য আরেকটি আইডি ব্যবহার করে লগইন করুন। একই ভাবে আপনি গুগলটক একাধিক খুলতে পারবেন।

    Thursday, January 20, 2011

    PC to PC Networking : যেভাবে অনেকগুলো পিসিকে একটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনবেন

    প্রায়শ: ই দেখা যায় যে, বাসায় দু’টো কম্পিউটার আছে এবং ইন্টারনেট কানেকশনও দু’টো। এর কোন মানে হয়? আজ আপনাদের এমন ধারণা দিব যা দিয়ে আপনি বিশাল বড় ইন্ডাষ্ট্রিও একটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে পারবেন খুব সহজেই। হোক সেখানে ১০০০ কিংবা ১০,০০০ যত ইচ্ছা তত কম্পিউটার। এমনকি আপনার একটা ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে যত ইচ্ছে তত কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে রাউটার ব্যবহার করলে ভাল হয়। ধরুন- আপনার ইন্টারনেট কানেরকশনের স্পীড 64KBPS (1 KB = 8kb সুতরাং 64 KB x 8 kb = 512kbps) এবং এই কানেকশনটিকে আপনি রাউটার ছাড়াই ১০টা কম্পিউটারে শেয়ার করলেন।

    এখন কম্পিউটার-০১ যদি কোন কিছু ডাউনলোড দেয় তাহলে কম্পিউটার-০২ থেকে কম্পিউটার-১০ পর্যন্ত কেউ ভাল ভাবে ব্রাউজই করতে পারবে না। কারণ কম্পিউটার-০১ এর ডাউনলোড আপনার কানেকশনটির প্রায় ৯৫% স্পীডই ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, আপনার স্পীড রাউটার ছাড়া নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না। যাই হোক, মূল কাজে চলে যাই।
    মনেকরছি, আমি ফারদিন এবং আমি কিউবি ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করছি। আমি ৪টা পিসিকে একটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনব। আমার কিউবি মডেমটি বড় যেটা থেকে ইন্টারনেট কানেকশন কম্পিউটারে নিতে হলে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়। কিউবির আরো মডেম আছে যা ব্যবহার করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন নেই; যেমন-  ডন্জেল মডেম (এটি USB Port এ ব্যবহৃত হয়)। গ্রামীনফোন থেকে শুরু করে অন্যান্য অনেক মডেমই আছে যা USB Port এ ব্যবহৃত হয়। আমারটা যেহেতু USB Port এর না তাই আমার দু’টো ল্যান কার্ড এর প্রয়োজন হবে আমার ইন্টারনেট কানেকশনটি শেয়ার করার জন্য। যারা USB Port এর মডেম ব্যবহার করেন তাদের একটি ল্যান কার্ডেই যথেষ্ট। নিম্নে আমার কম্পিউটারের চিত্র দিয়েছি-
    এখন ল্যান-০২ এর তার গিয়ে প্রবেশ করবে সুইচে। ও হ্যাঁ, নেটওয়ার্কির এবং শেয়ারিং করতে হলে আপনার অবশ্যই সুইচের প্রয়োজন হবে। বাজারে টিপি লিংকের ৫ পোর্ট এর সুইচের বর্তমান দাম মাত্র – ৬০০/- টাকা । তাহলে, আমার ল্যান-০১ হল কিউবি ইন্টারনেট মডেমের তার এবং ল্যান-০২ হল নেটওয়ার্কিং এর তার যা সুইচে প্রবেশ করবে। নিম্নে আমি পুরো মডেলটি এঁকে দিলাম বুঝার সুবিধার্থে-
    আমি ধরে নিলাম, আমার যে পিসিতে ইন্টারনেট মডেম লাগানো আছে সেটি সার্ভার পিসি। ঠিক উপরের চিত্রের মত করেই ইন্টারনেটের ক্যাবল সবগুলো পিসিতে সংযুক্ত হবে যতগুলো পিসিকে আপনি একটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে চান এবং ইন্টারনেট শেয়ার করতে চান।
    তাহলে, ক্যাবল সেটিং এর কাজ সমাপ্ত। এখন কনফিগারেশন এর কাজ শুরু করি চলুন-
    সার্ভার পিসি’র নেটওয়ার্কিং মেনুতে গেলাম ঠিক এই ভাবে- My network place —> Properties ( For Win7: Networking & Sharing Center —> Change adapter settings)। My network place মেনু ওপেন হলে সেখানে আমি দেখতে পাচ্ছি নিম্নের মত একটি চিত্র-
    উপরের চিত্রে লক্ষ্য করুন- দু’টো আইকন। কারণ, একটি হল আমার ইন্টারনেট কানেকশনের ল্যান-০১ এবং অন্যটি আমার নেটওয়ার্কিং এর ল্যান। “Local area connection” নামে যে আইকনটি আছে দেখুন সেটি দেখাচ্ছে- “Connected, Shared”। এটি আমার ইন্টারনেট কানেরশনের আইকন তাই এই ল্যানটিকে আমি শেয়ার করেছি। আপনিও করে নিন ঠিক এই ভাবে-
    ঠিক ওই আইকনটিতে রাইটক্লিক করুন যেটি আপনার ইন্টারনেট কানেকশনের আইকন। Right click —>Properties —> Advance এবং নিচের চিত্রটি দেখুন পরিষ্কার হয়ে যাবে-
    “Allow other network users to connect through this computer’s internet connection” & “Allow other network users to control or disable the shared internet connection” এই চেক বক্সগুলোতে ক্লিক করে “ওকে” করুন। এখন পদ্ধতি দু’টো আছে। আপনি চাইলে অন্যান্য কম্পিউটারগুলোকে ষ্ট্যাটিক আইপি দিতে পারেন অথবা চাইলে ডায়নামিক ভাবেই তারা ব্যবহার করতে পারে।
    যদি অন্যান্য ব্যবহারকারীগণকে আপনি ডায়নামিক আইপি দিয়েই ব্যবহার করাতে চান অর্থাৎ ল্যান কার্ডে কোন আইপি এড্রেস দিতে চান না তাহলে অন্যান্যদের ল্যান কার্ড কনফিগারেশনের দরকার নেই।
    এবং আমার মত আপনার ল্যান-০২ কে ও কনফিগারেশনের দরকার নেই। কারণ, আপনি যদি কোন ফোন কোম্পানীর (যেমন- গ্রামীণফোন) ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে আপনার পক্ষে তাদের ডিএনএস জানা সম্ভব না ও হতে পারে। সুতরাং আপনার জন্য ডায়নামিকই উত্তম। সুতরাং, উপরের চিত্রের মত করে দু’টো ল্যান কার্ড এর কনফিগারেশনই একই রকম করে দিন এবং অন্যান্য সবার পিসির ল্যান কার্ডের ও উপরের চিত্রের মতই করে দিন। আপনার কাজ এখানের সমাপ্ত। দেখুন অন্য পিসি থেকে ব্রাউজ করে। আমি জানি, ঠিক ভাবে কাজগুলো সমাপ্ত করতে পারলে আপনি এই ধাপেই সার্থক। সমস্যা হলে আমাকে মন্তব্যে বলুন।
    আমি যেহেতু কিউবির ডিএনএস ( কিউবির ডিএনএস জানতে আপনি আপনার আইপি ব্রাউজ করুন – ১৯২.১৬৮.৩.১ এবং ষ্ট্যাটাস মেনুতে ক্লিক করে “ইন্টারনেট” এ ক্লিক করুন। সব তথ্য পেয়ে যাবেন) জানি তাই, আমি আমার ল্যান-০২ কে কনফিগার করে নিলাম। নিজের মত করে একটা আইপি এড্রেস দিলাম।
    আইপি এড্রেস টাইপ করে “ট্যাব বাটন” প্রেস করলাম। সাবনেট মাস্ক অটোমেটিক তৈরী হয়ে গেল। এরপর ডিএনএস সেটআপ করলাম। ব্যাস, আমার সার্ভার পিসির ল্যান-০২ কে কনফিগার করা হয়ে গেল। এবার আমি যে কটি পিসি তে কানেকশন দিব সেগুলোকে কনফিগার করার পালা।
    আমি কম্পিউটার-০২ এর ল্যান কনফিগার করলাম এভাবে- আইপি এড্রেস দিলাম ১৯২.১৬৮.০.২ তারপর ট্যাব বাটনে প্রেস করলাম। সাবনেট মাস্ক  তৈরী হয়ে গেল। ডিফল্ট গেটওয়ে দিলাম আমার সার্ভার পিসিতে যে আইপিটি ব্যবহার করেছি। ১৯২.১৬৮.০.১০০। এবং ডিএনএস যা আছে সার্ভার পিসির মত করেই দিলাম।
    এভাবে আমি প্রত্যেকটা পিসির ল্যানকে কনফিগার করলাম। ব্যাস, আমার কাজ সমাপ্ত। এখন সব পিসিতেই ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারছি। এখন আমি চাইলে যেকোন পিসির ফাইল যেকোন পিসিতে অনায়াসে নিতে পারব শেয়ারিং দিয়ে। যেকোন ফাইলে রাইটক্লিক করে প্রোপার্টিজ থেকে শেয়ারিং মেনু এবং সেখানে এলাও করে দিলাম চেক বক্সে ক্লিক করে।

    Saturday, January 15, 2011

    যেকোন কোম্পানির প্রোডাক্টের যেকোন ড্রাইভার ডাউনলোড করুন খুব সহজে (যেমন- মাদারবোর্ড, গ্রাফিক্স কার্ড, অডিও ড্রাইভার…..

    কম্পিউটার নতুন করে সেটআপ দিলে কত রকম সমস্যায় যে পড়তে হয় তার কোন শেষ নেই। আজ আপনাদের সেই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য এই ব্লগটি লিখছি। এক্সপি সার্ভিস প্যাক-০২ ইন্সটল করলেতো কম্পিউটার পুরা ফাকা হয়ে যায়। অর্থ্যাৎ কোন ড্রাইভার ই পায় না। এমনকি ল্যান ড্রাইভার পর্যন্ত না। এক্সপি সার্ভিস প্যাক -০৩ সেটআপ করলে কিছু কিছু কোম্পানির গ্রাফিক্স কার্ড পায় কিন্তু সাউন্ড কার্ড পায় না। আবার অডিও ড্রাইভারেও সমস্যা।

    উইন্ডোজ সেভেন যারা ব্যবহার করছেন তারা হয়তো এক প্রকার নিশ্চিন্তেই উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ এর কাজটি করেন। কারণ, সেভেনে সব ধরণের ড্রাইভার এম্বডেড থাকে। ফলে নতুন করে কোন ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু যারা এখনো এক্সপিতে তাদের জন্য সব সময়ই টেনশন কাজ করে।
    আজ থেকে সমস্ত টেনশন ভুলে যান। এবং এই ছোট্ট  সফটওয়্যারটি, মাত্র ৪৪৩ কে.বি. ডাউনলোড করুন নিম্নের লিংক থেকে ঝটপট-
    আপডেট চাইলে আপডেট করে নিবেন। Download শেষ হলে সফটওয়্যারটি রান করুন। এরপর যে ড্রাইভার ডাউনলোড করতে চান সেই নামে ক্লিক করুন।
    সিপিউ, মাদারবোর্ড বা যে ড্রাইভার ডাউনলোডের জন্যই ক্লিক করবেন ক্লিক করার পরে আপনাকে নিম্নোক্ত সাইটে নিয়ে যাবে-
    উপরে প্রাপ্ত লিংকে ক্লিক করার পর আপনাকে ডাউনলোডের অপশন দিবে-
    এর নির্দিষ্ট লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। খুব কাজের একটি সফটওয়্যার এটি। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।

    Saturday, January 8, 2011

    বাংলা পাঠ্যবই অনলাইনে

    শিক্ষার্থীদের হাতে মুদ্রিত বই পৌঁছানোর পাশাপাশি আমাদের পাঠ্যবইগুলোর ডিজিটাল সংস্করণ এখন এনসিটিবির ওয়েবসাইট থেকে বিনামুল্যেই ডাউনলোড করা যাচ্ছে। এনসিটিবি ওয়েবসাইট থেকে এই তথ্য জানানো হয়। এ বছরের শুরুতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্য বইগুলোকে অনলাইনে ছেড়েছে।
    বই এর ডিজিটাল সংস্করণের ফলে দেশের সব শিক্ষার্থীর পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদেরও সুবিধা হবে। সারা বছরই এই বই ইন্টারনেটে থাকবে তাই যখন খুশি তখনই ডাউনলোড করে নেয়া যাবে। এক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে বই হারালেও আর কেনার ঝামেলা থাকছে না। প্রথম শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ৮৩ টি বই এখন এনসিটিবির সাইট থেকেই ডাউনলোড করা যাবে। মুদ্রিত সব বই ডিজিটালে রূপান্তর করেছে এইচএসটিসি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।


    এনসিটিবির নিজস্ব ওয়েবসাইটে রাখা বই ডাউনলোড করতে এনসিটিবির ওয়েব সাইট- www.nctb.gov.bd যেতে হবে। এরপর হোমপেজে গিয়ে ‘টেক্সটবুক উইং’ বাটনে কিক করতে হবে। সেখানে দুটি অপশন দেখা যাবে, প্রাথমিক শিক্ষা এবং মাধ্যমিক শিক্ষা। আপনার অপশনটি নির্বাচন করে প্রয়োজন মতো বই ডাউনলোড করতে পারবেন। প্রতিটি বই আলাদা ভাবে ডাউনলোডের সুবিধাও পাওয়া যাবে।